
সুন্দরবনের পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের ধানসাগর এলাকার তেইশের ছিলা নামক স্থানে নতুন করে লাগা আগুনের তীব্রতা কিছুটা কমেছে। তবে পানির উৎস দূরে থাকায় এবং ভাটার কারণে নদী শুকিয়ে যাওয়ায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হচ্ছে বন বিভাগ ও ফায়ার সার্ভিসকে।
সোমবার সকালে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আবু বক্কর জানান, ‘আগুনের প্রকোপ এখন কিছুটা কমেছে। তবে পানির সংকটের কারণে কাজ ব্যাহত হচ্ছে। রাতে এই দুর্গম এলাকায় কাজ করা খুবই চ্যালেঞ্জিং। আবার ভাটার সময় নদীতে পানি থাকে না, ফলে আগুন নেভানো কঠিন হয়ে পড়ে।’
তিনি আরও বলেন, ‘রাতে জোয়ার থাকায় আমরা পানি ছিটাতে পেরেছি, যার ফলে আগুন কিছুটা কমেছে। তবে মাটির ওপরে শুকনো পাতা ও মরা ডালের স্তর থাকায় আগুন নিভে গেলেও নতুন করে ধোঁয়া বা আগুন দেখা যাচ্ছে। তাই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না কবে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসবে।’
এর আগে, রোববার সকালে ড্রোনের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করে বন বিভাগ ধানসাগর টহল ফাঁড়ির অন্তর্গত তেইশের ছিলা এলাকায় আগুন শনাক্ত করে। এরপর বন বিভাগ, ভিলেজ টাইগার রেসপন্স টিম, সিপিজি এবং টাইগার টিমের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার লাইন তৈরির কাজ শুরু করে। তবে দুর্গম পরিবেশ, প্রচণ্ড তাপ, ধোঁয়া ও বাতাসের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় কাজ করতে বেশ বেগ পেতে হয় তাদের।
আরও পড়ুন: