বৃহস্পতিবার

৩ এপ্রিল, ২০২৫
২০ চৈত্র, ১৪৩১
৫ শাওয়াল, ১৪৪৬

মানিকগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে ভাংচুর ও আগুন দেয়ার অভিযোগ, আহত ৭

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২ এপ্রিল, ২০২৫ ১৭:০৪

শেয়ার

মানিকগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে ভাংচুর ও আগুন দেয়ার অভিযোগ, আহত ৭
ছবি: বাংলা এডিশন

মনিকগঞ্জের হরিরামপুরের দুর্গম চরাঞ্চলের আজিমনগর ইউনিয়নের বসন্তপুর এলাকায় আজিমনগর ইউনিয়ন পরিষদের  সাবেক চেয়ারম্যান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. বিল্লাল হোসেনের বাড়িতে ভাংচুর ও আগুন দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। আগুন দেয়ার ঘটনায় আগুন নেভাতে গেলে ওয়ার্ড বিএনপি নেতাসহ কয়েকজনকে কোপানোর অভিযোগও উঠেছে।

মঙ্গলবার বেলা এগারোটার দিকে উপজেলার চরাঞ্চলের আজিমনগর ইউনিয়নের বসন্তপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হামলায় আহতরা হলেন, বসন্তপুর গ্রামের বাসিন্দা ও আজিমনগর ইউনিয়ন বিএনপির ২নং ওয়ার্ড সভাপতি আফজাল মৃধা, একই এলাকার ফারুক, নুর হাফেজসহ কয়েকজন।

আহতদের মধ্যে চারজনকে হরিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। পরে ফারুক ও নুর হাফিজের অবস্থা গুরুতর হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। বাকি দুইজনকে হরিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়াও এনায়েতপুর গ্রামের আউয়াল শিকদার ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

বিল্লাল গ্রুপের আহতরা অভিযোগ করেন, আজিমনগর ইউনিয়ন বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর শিকদার, শামসুদ্দিন শিকদার ও ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেনের নেতৃত্বে ইউনিয়ন জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান ও তার ভাই আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেনের বাড়িতে হামলা ও আগুন দেয়া হয়।

প্রতিবেশিসহ বিএনপির কয়েকজন আগুন নেভাতে গেলে দেশিয় অস্ত্র চাপাতি, কুরাল দিয়ে কোপ দেয় ও মারধর করে।

অভিযোগের বিষয় জানতে কল দিলে ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মানির হোসেন বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা আগুন নেভাতে যাই। তখন বিভিন্ন দিক থেকে লোকজন এসে মারধর শুরু করে। আমরা ফেরানোর চেষ্টা করি। আমি বা আমরা কোনো হামলা করিনি।’

হরিরামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি হান্নান মৃধা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নেতা বিল্লাল চেয়ারম্যানের ভাই আব্দুর রহমান তো আওয়ামী লীগের নেতা। গতকাল বিল্লাল চেয়ারম্যানের লোকজন আওয়ামী লীগের লোকজন নিয়ে মিটিং করেছে বলে শুনেছি। আজ কে বা কারা আগুন দিয়েছে তা জানিনা। তবে আমার লোকজন আগুন নেভাতে গেলে আমার দলীয় লোকজন মার খেয়েছে। এ ঘটনাটা তাদের পূর্বপরিকল্পিতভাবে সাজানো। তারা নিজেরাই নিজেদের বাড়ি আগুন দিয়ে আমার লোকজনের ওপর মিথ্যা অভিযোগ করছে।’

হরিরামপুর থানার ওসি মুহাম্মদ মুমিন খান বলেন, ‘এ ঘটনার খবর পেয়ে সরেজমিনে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। এখন পর্যন্ত আমরা কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি।’

অভিযোগ পেলে আইনত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ওসি মুমিন খান।

banner close
banner close