শনিবার

৫ এপ্রিল, ২০২৫
২২ চৈত্র, ১৪৩১
৭ শাওয়াল, ১৪৪৬

বাংলাদেশ থেকে ফের জাহাজ আমদানি শুরু করেছে আরব আমিরাত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৪ ২০:০৯

শেয়ার

বাংলাদেশ থেকে ফের জাহাজ আমদানি শুরু করেছে আরব আমিরাত
রপ্তানির জন্য প্রস্তুত ল্যান্ডিং ক্রাফট। ছবি: সংগৃহীত

সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে আবার জাহাজ রপ্তানি শুরু করেছে বাংলাদেশ। এবার নতুন করে যাচ্ছে ৩টি জাহাজ। এর মধ্যে রয়েছে একটি ল্যান্ডিং ক্রাফট এবং দুইটি টাগবোট। জাহাজ ও নৌযান নির্মাণকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠান ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড লিমিটেড জাহাজ তিনটি রপ্তানি করতে যাচ্ছে।

শনিবার চট্টগ্রাম বোট ক্লাবে নবনির্মিত জাহাজ ‘রায়ান’-এ দাঁড়িয়ে এসব কথা জানান ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড লিমিটেডের ব্যবস্থপনা পরিচালক (এমডি) ক্যাপ্টেন সোহেল হাসান।

ক্যাপ্টেন সোহেল হাসান বলেন, ২০২০ সালে আমরা একটি জাহাজ ভারতে রপ্তানি করেছি। এরপর কোভিড ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে সৃষ্টি হওয়া অর্থনৈতিক মন্দায় জাহাজ বিক্রি কার্যক্রম বন্ধ ছিল। পরবর্তীতে ২০২৩ সালে আমরা বায়ারের খোঁজ শুরু করি। আরব আমিরাতের ভিন্ন ভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অর্ডার পাই। এরমধ্যে মারওয়ান শিপিংয়ের কাছে ৩টি জাহাজ রপ্তানি করতে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, ২০১৭ সালে ওই প্রতিষ্ঠানে একটি জাহাজ রপ্তানি করেছিলাম। তাতে সন্তুষ্ট হয়ে মারওয়ান শিপিং নতুন প্রকল্পে তাদের সঙ্গে চুক্তি করেছে। এছাড়াও আগামী মাসে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশনের কাছে ‘এমভি রূপসা’ ও ‘এমভি সুগন্ধা’ নামে দুটি যাত্রীবাহী জাহাজ হস্তান্তর করা হবে।

২০২০ সালের পর প্রথমবারের মতো জাহাজ রপ্তানি করতে যাওয়া প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ২০২৩ সালে ৮টি জাহাজ নির্মাণে মারওয়ান শিপিংয়ের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল তারা। এই চুক্তির আওতায় জানুয়ারি ২০২৫-এ ‘রায়ান’ নামের ৬৯ মিটার ল্যান্ডিং ক্রাফট এবং এপ্রিল ২০২৫-এ ‘খালিদ’ ও ‘যায়া’ নামের দুইটি টাগবোট রপ্তানি করা হবে। বাকি ৫টি জাহাজ ২০২৫ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে হস্তান্তর করা হবে। ওয়েস্টার্ন মেরিন এখন পর্যন্ত ১১ দেশে ৩৩টি জাহাজ রপ্তানি করেছে, যার মূল্য ১০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মার্চেন্ট মেরিন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ক্যাপ্টেন মো. আনাম চৌধুরী, ওয়েস্টার্ন মেরিনের জিএম (অর্থ) আবুল মনসুর, শাহেদুল বাশার প্রমুখ।

banner close
banner close