
মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনি কোটা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি)। নানা বিতর্ক ও আলোচনা-সমালোচনার পর নেয়া হলো এই সিদ্ধান্ত। এর ফলে এখন থেকে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় শুধু তাদের সন্তানরা বিবেচিত হবেন। একইসাথে বিতর্কিত পোষ্য কোটা ১ শতাংশ কমিয়ে ৩ শতাংশ করা হয়েছে। তবে, শারীরিক প্রতিবন্ধী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও খেলোয়াড় কোটার কোনো পরিবর্তন করা হয়নি।
বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক মঈন উদ্দীন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, এবারের ভর্তি পরীক্ষা একটি নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে অনুষ্ঠিত হবে, কারণ এবার দেশের মোট পাঁচ বিভাগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি জানান, আমরা পুরো বিষয়টি চিন্তাভাবনা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনি কোটা বাতিল করেছি। পোষ্য কোটা ৩ শতাংশ রাখা হয়েছে, তবে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোটাসহ অন্য সব কোটার নিয়ম আগের মতোই থাকবে।
অপরদিকে বিকেএসপি কোটার ক্ষেত্রে পূর্বের নিয়ম বহাল থাকবে। এই কোটায় শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের নির্ধারিত আসন সংখ্যার ১০ শতাংশের বেশি হবে না।
অধ্যাপক মঈন আরও বলেন, সকল প্রকার কোটার ক্ষেত্রে ভর্তি পরীক্ষার ন্যূনতম পাস নম্বর কোনোক্রমেই শিথিলযোগ্য হবে না। সংশ্লিষ্ট কোনো কোটা পূরণ না হলে আসন শূন্য রাখা হবে।
উল্লেখ্য, রাবি ভর্তির প্রাথমিক আবেদন আগামী বছরের ৫ জানুয়ারি দুপুর ১২টা থেকে ১৬ জানুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত চলবে। চূড়ান্ত আবেদন ২০ জানুয়ারি দুপুর ১২টা থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত করা যাবে।
আরও পড়ুন: