শুক্রবার
12:44:33

৪ এপ্রিল, ২০২৫
২১ চৈত্র, ১৪৩১
৭ শাওয়াল, ১৪৪৬

শেকৃবিতে গভীর রাতে র‍্যাগিং

তাহিরুল হাসান ফাহিম, শেকৃবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১ মার্চ, ২০২৫ ১২:২৯

আপডেট: ১ মার্চ, ২০২৫ ১২:৩৮

শেয়ার

শেকৃবিতে গভীর রাতে র‍্যাগিং
শেকৃবিতে গভীর রাতে র‍্যাগিং । ছবি: সংগৃহীত


রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) আবাসিক হলে গভীর রাতে র‍্যাগিংয়ের ঘটনা ঘটেছে৷

শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের ডাইনিংয়ে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, শুক্রবার দিবাগত রাত (১ মার্চ) দুইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮২ তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের দক্ষিণাঞ্চলের একাংশ ৮৩ তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের একাংশকে কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের ডাইনিং এ র‍্যাগিং শুরু করেন। এসময় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের একজন ও খোঁজ পেয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের কয়েকজন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ছাত্র পরামর্শকে ফোন দেন। কিন্তু তারা ফোন রিসিভ না করায় উপাচার্যকে অবগত করেন। পরবর্তীতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল লতিফ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভুক্তভোগী জুনিয়র শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করেন ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আশ্বাস দেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আবুল বাশার। র‍্যাগিং দেয়া শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব দেন জিহাদ হোসেন আশা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী জানান, উপাচার্য মহোদয় উপস্থিত হওয়ার পর র‍্যাগিংকারী শিক্ষার্থীদের পক্ষ হয়ে কথা বলতে সেখানে উপস্থিত হন ছাত্রদল কর্মী রাশেদ আল নাফিস।

এবিষয়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শেকৃবি শাখার আহবায়ক আসাদুল্লাহ বলেন, জুনিয়ররা নির্দিষ্ট দলের রাজনৈতিক প্রোগ্রামে না গেলে আমাদের কাছে র‍্যাগিং এবং সিট বাতিলের হুমকির অভিযোগ আসছে। ২৩ ব্যাচের কিছু শিক্ষার্থী এসব র‍্যাগিং-এর ঘটনায় যুক্ত। গতকালও রাত চারটা পর্যন্ত এধরনের র‍্যাগিং মিটিং চলেছে। এজন্যে আজকের ঘটনা জানতে পেরে প্রক্টর প্রভোস্ট ছাত্র পরামর্শকদের কলে না পেয়ে উপাচার্যকে ফোন দিই।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আব্দুল লতিফ জানান, "শিক্ষার্থীরা আমাকে ফোন করে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ জানায়। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি অপেক্ষা না করে ট্রেজারার মহোদয়কে জানিয়ে দ্রুত বের হয়ে আসি। নজরুল হলে এসে দেখি, ২৩ ও ২৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা রাত ২টায় মিটিং করছে। আমি তাদের রুমে পাঠিয়ে দিই, এরপর নবাব সিরাজ উদ-দৌলা হলে গিয়ে দেখি সেখানে কেউ নেই।"

তিনি আরও বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটি রয়েছে। তাদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। র‍্যাগিং কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না, এর বিরুদ্ধে অবশ্যই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়কে সম্পূর্ণ র‍্যাগিংমুক্ত রাখতে চাই।"

banner close
banner close