
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃত্যু দুটোই বেড়েছে। এ বছর নয় মাসেই মৃত্যু হয়েছে ১৬৩ জনের। এর মধ্যে সেপ্টেম্বরেই মারা গেছেন ৮০ জন। আর আগস্টের চেয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে তিন গুণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এডিস নিধন কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়ায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে সিটি করপোরেশনের দাবি, ডেঙ্গুকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৯ মাসে সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ৩০ হাজার ৯৩৮ জনের। এর মধ্যে সেপ্টেম্বরেই ১৮ হাজারের বেশি। ২০২২ সালে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ সংক্রমণ হয় অক্টোবরে। এবারও সে শঙ্কা দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, মশা মারতে বর্তমানে কোনো কর্মসূচিই নেই। ৫ আগস্টের পর থেকে মশার ওষুধ ছিটানোর জন্য কেউ আসছে না। এর আগে তো প্রতিদিনই এলাকায় মশা নিধনের জন্য ওষুধ ছিটানো হত। ফলে মশার উপদ্রব বেড়ে গেছে।
আগস্ট ও সেপ্টেম্বরের অতি বৃষ্টি ডেঙ্গু বাড়ার কারণ মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এডিস বিরোধী অভিযান না থাকাও বড় সংকট।
ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর খায়রুল আলম বলেন, মোবাইল কোর্ট না থাকার কারণে সিটি করপোরেশন পূর্ণ উদ্যমে কাজ করার সুযোগ পায়নি। এখন ধীরে ধীরে সিটি করপোরেশন পূর্ণরুপে কাজে অগ্রসর হচ্ছে। এ ছাড়া বর্ষা শেষ হয়ে শীতের দিন আসছে। এ সময় এমনিতেই মশার উপদ্রব কমে যায়।
আরও পড়ুন: