শুক্রবার

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
১৬ ফাল্গুন, ১৪৩১
,

সাহরি-ইফতারের সময়সূচি নিয়ে বিভ্রান্তি, যে বার্তা দিল ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ১৭:২০

শেয়ার

সাহরি-ইফতারের সময়সূচি নিয়ে বিভ্রান্তি, যে বার্তা দিল ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যে বার্তা দিল ইসলামিক ফাউন্ডেশন। ফাইল ছবি

আসন্ন রজমানের সাহরি ও ইফতারির সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। এ নিয়ে একটি পক্ষের মধ্যে বিভ্রান্তি দেখা গেছে। তবে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রণীত সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি নিয়ে বিভ্রান্তির কোনো অবকাশ নেই বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল বৃহস্পতিবার এ বার্তা দেয় ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

তাদের ভাষ্য, দেশের আলেম ওলামা ও বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমেই এই সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি কিছু কিছু ব্যক্তি ও সংগঠন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রণীত সাহরি এবং ইফতারের সময়সূচি নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। বর্তমানে যে সাহরি ইফতারের সময়সূচি বের করা হয়েছে তা আলেম ওলামা এবং বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত কমিটি প্রণয়ন করেছে। সেখানে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি আব্দুল মালেকসহ প্রখ্যাত ওলামায়ে কেরাম, আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষজ্ঞরা, মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন কেন্দ্রের প্রতিনিধি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভূগোল বিভাগের শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।

সাহরি ইফতারের জন্য যুগ যুগ ধরে মানুষ প্রকৃতির ওপর নির্ভর করেছে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, ঘড়ি আবিষ্কারের পর ঘড়ির ওপর মানুষের নির্ভরশীলতা এসেছে। এখন যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হয়েছে। প্রতিটি বিষযে মিনিট, সেকেন্ড, মিলি সেকেন্ড এমনকি ন্যানো সেকেন্ডের হিসাবও বের করা সহজ হয়েছে। বর্তমানে যে সময়সূচি উন্নয়ন করা হয়েছে তা সূক্ষ্মাতি সূক্ষ্ম হিসাব করেই করা হয়েছে।

ইতিপূর্বে প্রায় ৩৩ বছর পূর্বে ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে যে সাহরি- ইফতার এবং নামাজের সময়সূচি প্রণয়ন করা হয়েছিল এবং তা কয়েক যুগ ধরে চলছিল। সেখানে সাহরি, ফজরের আজান এবং ইফতারের সময়ের সঙ্গে ৩ মিনিট করে সতর্কতামূলক সময় রাখা হয়েছিল। সাহরির ৩ মিনিট আগেই সময় শেষ করা এবং ফজরের আজানের জন্য ৩ মিনিট পরেই আজানের সময় নির্ধারণ করাতে মাঝখানে ৬ মিনিট অলস সময় রাখা হয়েছিল। শরীয়তে এই ধরনের অলস সময়ের কোনো বিধান নেই। তাদের মতে ‘সাহরির সময় শেষ-ফজরের সময় শুরু’ এটাই হলো শরিয়তের বিধান।