
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইউক্রেনে তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান এই যুদ্ধ বন্ধে উভয় নেতা দীর্ঘসময় ফোনে কথা বললেও ইউক্রেনে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতিতে রাজি হননি পুতিন।
তবে সাময়িকভাবে ইউক্রেনীয় জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর আক্রমণ অপাতত বন্ধ করতে সম্মত হয়েছেন রুশ এই প্রেসিডেন্ট। বুধবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে ফোনালাপে ইউক্রেনে তাৎক্ষণিক এবং পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান করেছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তবে তিনি কেবল ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর আক্রমণ বন্ধ করতে সম্মত হয়েছেন।
এ ছাড়া সম্প্রতি সৌদি আরবে ইউক্রেনীয়দের সাথে ট্রাম্পের প্রশাসন যুদ্ধবিরতি অর্জনে মাসব্যাপী যে কাজ করেছে তাতেও স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন রাশিয়ান এই প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেছেন, ‘ইউক্রেনের সাথে বিদেশি সামরিক সাহায্য এবং গোয়েন্দা তথ্য ভাগাভাগি বন্ধ হলেই কেবল ব্যাপকভিত্তিক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতে পারে।’
তবে ইউক্রেনের ইউরোপীয় মিত্ররা পূর্বে এই ধরনের শর্ত প্রত্যাখ্যান করেছে। তিন বছরের যুদ্ধের মধ্যে রাশিয়ান বাহিনী সম্প্রতি ছয় মাস আগে ইউক্রেনের দখলকৃত কুরস্ক অঞ্চলের বেশ কিছু অঞ্চল পুনরুদ্ধার করছে।
মঙ্গলবারের ট্রাম্প-পুতিনের ফোনালাপের এই ফলাফল এক সপ্তাহ আগে মার্কিন অবস্থান থেকে পিছু হটার সমান, যদিও মধ্যপ্রাচ্যে অবিলম্বে আরও শান্তি আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে বলে দুই নেতা একমত হয়েছেন।
মঙ্গলবার জেদ্দায় মার্কিন প্রতিনিধিদল ইউক্রেনীয় প্রতিনিধিদলের সাথে দেখা করে কিয়েভকে স্থল, আকাশ এবং সমুদ্রপথে অবিলম্বে ৩০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মত হতে রাজি করায়। এরপর যুত্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, যুদ্ধবিরতির বিষয়টি নির্ভর করছে রাশিয়ার ওপর।
আরও পড়ুন: