শুক্রবার

৪ এপ্রিল, ২০২৫
২০ চৈত্র, ১৪৩১
৬ শাওয়াল, ১৪৪৬

ইরানের পরমাণু আলোচনা ব্যর্থ হলে সামরিক সংঘর্ষ প্রায় অনিবার্য

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩ এপ্রিল, ২০২৫ ০৮:৫৫

শেয়ার

ইরানের পরমাণু আলোচনা ব্যর্থ হলে সামরিক সংঘর্ষ প্রায় অনিবার্য
কোলাজ: বাংলা এডিশন

পরমাণু ইস্যুতে ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা চলছে যুক্তরাষ্ট্রের। এমনকি পরমাণু চুক্তি না করলে ইরানে হামলার হুমকিও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অন্যদিকে চাপ সত্ত্বেও পরমাণু ইস্যুতে সরাসরি কোনো ধরনের আলোচনায় বসতে অস্বীকার করেছে তেহরান।

এমন অবস্থায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা ব্যর্থ হলে সামরিক সংঘর্ষ প্রায় অনিবার্য বলে মন্তব্য করেছে ফ্রান্স। তেহরানের সাথে সংকটের কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ সংকীর্ণ বলেও জানিয়েছে দেশটি।

বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারলে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছেন ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

বুধবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সভাপতিত্বে ইরান বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের পর বক্তব্য রাখতে গিয়ে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যা-নোয়েল ব্যারোট বলেন, ‘তেহরানের সাথে সংকটের কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ সংকীর্ণ।’

ইউরোপীয় শক্তিগুলো চলতি বছরের মাঝামাঝি এবং ২০২৫ সালের অক্টোবরের মধ্যে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মকাণ্ড বন্ধ করার জন্য একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে কূটনৈতিক উপায় তৈরি করতে চাইছে। মূলত এই সময়সীমায় বিশ্বশক্তির সাথে ২০১৫ সালের ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল।

তেহরান অবশ্য পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কথা ধারাবাহিকভাবে অস্বীকার করে আসছে। পশ্চিম এশিয়ার এই দেশটি জোর দিয়ে বলছে, তাদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ।

ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যারোট দেশটির পার্লামেন্টে বলেন, ‘সুযোগের জানালা সংকীর্ণ। এই চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে আমাদের হাতে মাত্র কয়েক মাস সময় আছে। ব্যর্থতার ক্ষেত্রে, সামরিক সংঘাত প্রায় অনিবার্য বলে মনে হচ্ছে।’

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘ফ্রান্সের অগ্রাধিকার হলো, ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম সীমিত করার জন্য একটি যাচাইযোগ্য এবং টেকসই চুক্তি নিশ্চিত করা।’

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার জন্য ইরানের সঙ্গে জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্লান অব অ্যাকশন, জেসিপিওএ নামে পরিচিত পরমাণু চুক্তিতে পৌঁছায় যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের ছয় শক্তিধর দেশ। যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও ইরানের সঙ্গে চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী বাকি দেশগুলো হচ্ছে ফ্রান্স, ব্রিটেন, জার্মানি, চীন ও রাশিয়া।

 

banner close
banner close